The Universal House of Justice
Ridván 2008 / 165BE

To the Bahá’ís of the World

Dearly loved Friends,

সমগ্র মানব পরিবারের বৈচিত্রকে আলিঙ্গনকারী অসংখ্য জনগণ এমন একটি পরিবেশে সৃজনশীল বাণীর পদ্ধতিগত অধ্যয়নে ব্যস্ত রয়েছে যা একই সময়ে ঐকান্তিক ও উৎকর্ষকারী। এইরূপে অর্জিত অন্তর্দৃষ্টিসমূহ তারা যখন একটি কর্ম প্রক্রিয়া, ভাবনা ও পরামর্শের মাধ্যমে প্রয়োগ করতে উদ্যমী হয়, তখন ধর্মের সেবাদানে তাদের সামর্থ্যকে তারা একটি নতুন স্তরে উন্নীত দেখতে পায়। সৃষ্টিকর্তার সাথে মনে মনে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আসার জন্য প্রতিটি হৃদয়ের অন্তরতম আকাঙ্খার প্রতি সাড়া দিয়ে তারা বিভিন্ন পারিপার্শি¦কতায় সমষ্টিগত উপাসনার আয়োজন করছে, অন্যদের সাথে প্রার্থনায় মিলিত হচ্ছে, আধ্যাত্মিক গ্রহণশীলতাগুলিকে জাগ্রত করছে, এবং জীবনের একটি আদর্শ গড়ছে যা ইহার ভক্তিমূলক চরিত্রের জন্য বৈশিষ্টপূর্ণ। যখন তারা একে অপরের সাথে তাদের বাড়ীতে সাক্ষাৎ করতে যায় এবং আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও পরিচিতজনদের সাথে দেখা করে, তখন তারা আধ্যাত্মিক গুরুত্বের বিষয়াবলী নিয়ে উদ্দেশ্যপূর্ণ আলোচনায় লিপ্ত হয়, তাদের ধর্মের জ্ঞান গভীর করে, বাহা’উল্লাহ্র বার্তা নিয়ে আলোচনা করে, এবং একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক উদ্যোগে তাদের সাথে যোগ দেয়ার জন্য একটি ক্রমবর্ধমান সংখ্যককে সাদর অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করে। বিশ্বের শিশুদের আকাঙ্খাগুলি এবং তাদের আধ্যাত্মিক শিক্ষার প্রতি সচেতন হয়ে তারা তাদের প্রচেষ্টাকে সেই সকল ক্লাসের চির বর্ধমান অংশগ্রহণকারীদের বাহিনীসমূহের প্রতি ব্যপকভাবে প্রসারিত করেছে যা অল্পবয়সীদের আকর্ষণের কেন্দ্রসমূহে পরিণত হয়েছে এবং সমাজে ধর্মের শিকড় সুদৃঢ় করেছে। তারা কিশোর-কিশোরীগণকে তাদের জীবনের একটি সংকটময় অধ্যায়ের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে এবং সভ্যতার অগ্রগতিতে তাদের জীবনীশক্তি পরিচালনা করার ক্ষমতায়ণে সাহায্য করে। এ ছাড়াও মানব সম্পদের একটি বৃহত্তর প্রাচুর্যের সুযোগে তাদের একটি ক্রমবর্ধমান সংখ্যক প্রচেষ্টার এক স্ফীত জোয়ারের মাধ্যমে তাদের বিশ্বাসকে ব্যক্ত করতে সক্ষম, যা মানবজাতির আধ্যাত্মিক ও বস্তুগত উভয় ব্যপ্তির প্রয়োজনে অবদান রাখছে। বিশ্বব্যাপী বাহা’ই সমাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য এই রিজওয়ানে আমাদের সাময়িক বিরতি কালে এইরূপ ছিল আমাদের সম্মুখের চলমান অবাধ দৃশ্যপট।


 বিভিন্ন উপলক্ষে আমরা জানিয়েছি যে বিশ্ব পরিকল্পনাগুলির ধারাবাহিকতার লক্ষ্য - যা ২০২১ সালে বাহা’ই বিশ্বকে গঠনাত্মক যুগের শতবর্ষ উদ্যাপনে নিয়ে যাবে - তা কর্মকাণ্ডের সুস্পষ্ট অগ্রগতি এবং ব্যক্তি বিশ্বাসীর, প্রতিষ্ঠানগুলির ও সমাজের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্জিত হবে। এই অর্ধপথ বিন্দুটি হবে একটি শতাব্দীর এক চতুর্থাংশ সময় ব্যাপী সঙ্গতিপূর্ণ, সংহত প্রচেষ্টা, বর্ধিত সামর্থ্যরে প্রমাণসমূহ যা সর্বত্র দৃশ্যমান। যা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তা হচ্ছে পরিকল্পনার তিন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা থেকে প্রবাহিত স্বক্রিয়তার বিস্তৃতিশীল প্রভাব। প্রতিষ্ঠানগুলি, জাতীয় থেকে স্থানীয় স্তরগুলিতে, একটি সাধারণ লক্ষ্যের পশ্চাদ্ধাবনে একটি চির বর্ধমান বিশ্বাসীদের সংখ্যার আধ্যাত্মিক শক্তিগুলিকে প্রকাশের প্রতি সহায়ক পারিপার্শি¦কতাগুলি কিভাবে সৃষ্টি করা যায় তা আরও বেশী স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছে । সেই পরিবেশে সমাজ অধিক থেকে অধিকতর কাজ করছে যেখানে ব্যক্তি প্রচেষ্টা ও সম্মিলিত কাজ, প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মধ্যস্থতা লাভ করেছে, অগ্রগতি অর্জনে পরস্পরের সম্পূরক হতে পারে। যে স্পন্দন ইহা প্রকাশ করে এবং যে উদ্দেশ্যের একতা ইহার প্রচেষ্টাগুলোকে প্রাণবন্ত করে তা সকল পেশা থেকে আগত ইহার স্ফীতমান কর্মীবাহিনীর মনোযোগ আকর্ষণ করে যারা তাদের সময় এবং কর্মশক্তিগুলি মানবজাতির কল্যাণে উৎসর্গ করতে আগ্রহী। যে কোন গ্রহণোন্মুখ আত্মার প্রবেশের জন্য সমাজের দরজাগুলি আরও প্রসারিতভাবে উন্মুক্ত এবং বাহা’উল্লাহ্’র প্রত্যাদেশ থেকে আধ্যাত্মিক খাদ্য গ্রহণ সুনিশ্চিত। বিগত বছরে পরিকল্পনার তিন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে শিক্ষাদান কাজের গতিবেগে যে নাটকীয় দ্রুততা প্রত্যক্ষ হয়েছে তার চেয়ে বৃহত্তর কোন প্রামাণিক সাক্ষ্য নাই। দলে দলে যোগদানের প্রক্রিয়ার যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে তা বাস্তবিক-ই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।


 এই বর্দ্ধিত পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার পরিবেশে, ব্যক্তি উদ্যোগগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে ফলপ্রসূ হচ্ছে। পূর্ববর্তী বার্তাগুলিতে আমরা সেই চালিকাশক্তির উল্লেখ করেছি যে, ইন্সটিটিউট প্রক্রিয়াটি ব্যক্তি বিশ্বাসী কর্তৃক গৃহীত প্রথম পদক্ষেপের কর্মতৎপরতায় অবদান রাখে। প্রতিটি মহাদেশের বন্ধুগণ ধর্মের বৃদ্ধিতে শিক্ষাসমূহের প্রয়োগ শেখার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে পবিত্র লিখনাবলীর অধ্যয়নে ব্যস্ত রয়েছেন। একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যা বর্তমানে তাদের সমাজগুলির আধ্যাত্মিক জীবনশক্তির জন্য গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে; প্রাণবন্তভাবে, তারা সেবার সেই সকল কাজ সম্পাদন করছে যা একটি বৃদ্ধির একটি সুস্থ আদর্শের সাথে মানানসই। ধর্মের সেবাদান ক্ষেত্রে তাদের অধ্যবসায়ী হওয়া, শেখার একটি বিনম্র মনোভাব বজায় রাখা, তাদের সাহস ও বিজ্ঞতা, উদ্দীপনা ও বিচক্ষণতা, ঐকান্তিকতা ও সতর্কতা, দৃঢ়সংকল্প ও ঈশ্বরে আস্থার ফলে তারা একে অপরকে সুদৃঢ় করতে অন্য সবকিছু সংযুক্ত করেছে। বাহা’উল্লাহ্-র বার্তা ও উহার ব্যাখ্যার যথাযথ উপস্থাপনে তারা শৌগী এফেন্দীর বাণীগুলি তাদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছে যে তারা অবশ্যই “ইতস্তত” অথবা “দ্বিধাগ্রস্থ” হইবে না, তারা যে সত্যের সমর্থক তা “মাত্রাতিরিক্ত জোরালো” অথবা “খাটো করিয়া” প্রকাশ করিবে না। তারা “ধর্মোন্মাদ” অথবা “অপরিমিতভাবে উদারপন্থী” নয়। শিক্ষাদান কার্যে তাদের স্থিরতার মাধ্যমে, তারা তাদের নিরূপণ করার সামর্থ্য বৃদ্ধি করেছে যে তাদের শ্রোতার প্রতি তাদেরকে “সতর্ক” না-কি “স্পষ্ট” হতে হবে, “দ্রুত কাজ করতে হবে” না-কি “ধীর গতিতে এগোতে হবে”, তাদের ব্যবহৃত কর্ম পদ্ধতিগুলি “প্রত্যক্ষ ” না-কি “পরোক্ষ হবে।


 আমরা যা উৎসাহব্যঞ্জক দেখছি তা হচ্ছে এই ব্যক্তি উদ্যোগগুলি কত সুশৃঙ্খল। সর্বত্র সমাজগুলি প্রণালীবদ্ধকরণ থেকে যে শিক্ষালাভ হচ্ছে তা ধীরে ধীরে অন্তঃস্থ করছে, এবং পরিকল্পনার বর্তমান ধারাবাহিকতা দ্বারা নিরূপিত কর্মকাঠামো বন্ধুগণের প্রচেষ্টাগুলিতে সঙ্গতি এবং নমনীয়তা প্রদান করেছে। তাদেরকে আদৌ বাধাগ্রস্থ না করে, এই কর্মকাঠামো তাদেরকে সুযোগগুলি গ্রহণ করতে, সম্পর্কগুলি গড়ে তুলতে, এবং পদ্ধতিগত বৃদ্ধির একটি দূরদৃষ্টির বাস্তবরূপ দিতে সক্ষম করেছে। এক কথায়, ইহা তাদের মিলিত শক্তিগুলিকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে।


 বিশ্বব্যাপী কি অর্জিত হয়েছে তা আমরা যখন সামগ্রিকভাবে পর্যালোচনা করি, তখন আমাদের হৃদয়গুলি ইরানের বিশ্বাসীদের জন্য বিশেষ শ্রদ্ধায় পরিপূর্ণ হয়, যারা, সর্বাধিক কষ্টকর পরিবেশে তাদের দেশের সেবায় সাহসের সাথে উত্থিত হয়েছে এবং ইহা সঞ্জীবনী শক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য নিজেদের শক্তিগুলিকে প্রয়োগ করিতেছে, যদিও তাদের সম্মুখে উন্মুক্ত পথগুলি সীমিত। এবং ধর্মের প্রশাসনের উপর আরোপিত বাধানিষেধগুলির কারণে, তাদের স্বদেশীয়গণকে বাহা’উল্লাহ্র শিক্ষার সাথে পরিচিত করানোর জন্য তারা একটি ব্যক্তি ভিত্তিক প্রচেষ্টায় নিয়োজিত হয়েছে, তাঁর পুনরুদ্ধারকারী বার্তা সম্বন্ধে সরাসরিভাবে কথোপকথনে তাদেরকে বিজড়িত করছে। এইভাবে কাজ শুরুর পর থেকে তারা সংস্কারমুক্ত আত্মাগুলির কাছ থেকে কেবল নজীরবিহীন সমর্থন-ই লাভ করে নাই বরং তারা একটি গ্রহণোন্মুখতার সম্মুখীন হয়েছেন যা তাদের কল্পনার সম্ভাব্যতাকে বহুগুণ ছাড়িয়ে গেছে।


 বাহা’উল্লাহ্র প্রতিটি অনুসারী বর্তমান সমাজে স্বক্রিয় একাঙ্গীকরণ ও বিখণ্ডায়ণের শক্তিগুলি সম্বন্ধে সচেতন রয়েছে এবং তারা বিশ্বের সকল অংশে ধর্মের প্রতি গ্রহণোন্মুখতা ও বিশ্বের পদ্ধতিগুলির অপারগতাগুলির মধ্যে সম্পর্কটি দেখতে পায়। এটা নিশ্চিত যে, মানবজাতির তীব্র যন্ত্রণা গভীরতর হওয়ার ফলে গ্রহণোন্মুখতা বৃদ্ধি পাবে। নিঃসন্দেহেঃ স্ফীতিশীল গ্রহণোন্মুখতার প্রতি সাড়া দিতে সামর্থ্য গড়ে তোলার যে যাত্রা শুরু হয়েছিল তা এখনো প্রারম্ভিক পর্যায়গুলিতে রয়েছে। আগামী বছরগুলিতে একটি বিশৃঙ্খলাময় বিশ্বের দাবীগুলির বিশালত্ব এই সামর্থ্যকে ইহার সর্বশেষ সীমা পর্যন্ত পরখ করবে। মানবজাতি অত্যাচারের বাহিনীগুলির দ্বারা বিধ্বস্ত, হতে পারে তা ধর্মীয় পূর্বসংস্কার অথবা অনিয়ন্ত্রিত বস্তুবাদের পর্বতশিখর থেকে উৎপন্ন। বাহা’ইগণ এই দুর্ভোগের কারণগুলি উপলব্ধি করতে সক্ষম। বাহা’উল্লাহ্ জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “কোন্ অত্যাচারটি অধিকতর কষ্টদায়ক, একটি আত্মা যা সত্য অন্বেষণ করিতেছে এবং ঈশ্বরের জ্ঞান লাভ করিতে ইচ্ছা করিতেছে, জানে না ইহার জন্য কোথায় যাইতে হইবে এবং কাহার নিকট ইহা চাহিতে হইবে?” নষ্ট করার মত সময় নেই। কর্মকাণ্ড এবং পরিকল্পনার তিন অংশগ্রহণকারীর উন্নয়নে অবশ্যই অব্যাহত অগ্রগতি অর্জন করতে হবে।


 আব্দুল-বাহা “সাফল্য ও সমৃদ্ধি” পাইতে “দুইটি আহ্বান” এর উচ্চপ্রশংসা করেছেন যা “মানবজাতির সুখের উচ্চস্থানসমূহ” হতে শ্রবণ করা যেতে পারে। একটি আহ্বান হইতেছে “সভ্যতার”, “বস্তুজগতের অগ্রগতি”। ইহা “আইন”, “নিয়মাবলী”, “চারুকলা ও বিজ্ঞান” নিয়ে গঠিত যার মাধ্যমে মানবজাতি উন্নত হয়। অপরটি হইতেছে “আত্মা-জাগ্রতকারী ঈশ্বরের আহ্বান”, যার উপর মানবজাতির চিরন্তন সুখ নির্ভর করে। মাষ্টার ব্যাখ্যা করেছেন “এই দ্বিতীয় আহ্বানটি পরম প্রভুর আদেশ ও উপদেশগুলির উপর প্রতিষ্ঠিত এবং নৈতিকতার রাজ্যের তিরস্কারসমূহ ও পরার্থবাদী অনুভূতিগুলি, তোমাদের জন্য একটি উজ্জ্বল তারকার মত, যা মানবজাতির বাস্তবজগতের প্রদীপের অন্তরে আলোর স্ফুরণ ঘটায় ও ঔজ্জ্বল্য দান করে। ঈশ্বরীয় বাণী ইহার অন্তর্ভেদী শক্তি। যেহেতু আপনারা আপনাদের ক্লাষ্টারগুলিতে শ্রম দিচ্ছেন, আপনারা আপনাদের চারপাশের সমাজ জীবনের গভীর থেকে গভীরে আকৃষ্ট হবেন এবং মানব প্রচেষ্টাগুলির একটি বর্ধিষ্ণু সারিকে পরিবেষ্টন করার যে কাজে আপনারা নিয়োজিত রয়েছেন সেখানে পদ্ধতিগত শিক্ষার প্রক্রিয়াটিকে প্রসারিত করার চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হবেন। যে উপায়গুলি আপনারা গ্রহণ করেন, যে পদ্ধতিগুলি আপনারা অবলম্বন করেন, যে যন্ত্রাদি আপনারা ব্যবহার করেন, উহাতে আপনাদের একই মাত্রার সঙ্গতিপূর্ণতা অর্জন করতে হবে যা বর্তমানে চলমান বৃদ্ধির আদর্শকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করেছে।


 ক্লাষ্টারের পর ক্লাষ্টারে বৃদ্ধি ধরে রাখা সেই গুণাবলীর উপর নির্ভর করবে যা বিশ্বের জনগণের প্রতি আপনাদের সেবাকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করে। সুতরাং আপনাদের ভাবনাগুলি ও কার্যাবলী যে কোন পূর্বসংস্কারের চিহ্নমুক্ত হতে হবেÑবর্ণগত, ধর্মীয়, অর্থনৈতিক, জাতীয়, গোত্রীয়, শ্রেণী, অথবা সংস্কৃতিকÑএমনকি অপরিচিত ব্যক্তিও যেন আপনাদের মধ্যে সহৃদয় বন্ধু দেখতে পায়। আপনাদের উৎকর্ষতার মান এতই উচ্চ হতে হবে এবং আপনাদের জীবনগুলি এতই পবিত্র ও নিষ্পাপ হতে হবে যেন আপনাদের প্রদর্শিত নৈতিক প্রভাব বৃহত্তর সমাজের চেতনাকে বিদ্ধ করে। আপনারা কেবল যদি আচরণের সততা প্রদর্শন করেন যার প্রতি ধর্মের লিখনাবলী আহ্বান করে, প্রতিটি আত্মা অসংখ্য আকৃতির দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম হবে- প্রকাশ্য ও নিগূঢ়Ñ যা সমাজের জীবনীশক্তিগুলিকে নিঃশেষ করে। আপনারা যদি কেবল প্রতিটি মানুষের মধ্যে সম্মান ও মহত্ব হৃদয়ঙ্গম করেন- ইহা সম্পদ ও দারিদ্রের উপর নির্ভরশীলÑআপনারা ন্যায়পরায়ণতার উদ্দেশ্যের সমর্থক হতে সক্ষম হবেন এবং যে পরিসরে আপনাদের প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলি বাহা’ই পরামর্শের নীতিমালার দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে তাহাতে মানবজাতির বিপুল জনসমষ্টি বাহা’ই সমাজে আশ্রয় নিতে সক্ষম হবে।


 আপনাদের সম্মুখে এগিয়ে যাওয়ার সময়, নিশ্চিত হউন যে উর্ধ্বরাজ্যের জনমণ্ডলী ইহার বাহিনীসমূহকে সুবিন্যস্ত করছে এবং আপনাদের সাহায্যার্থে আসার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আমাদের অব্যাহত প্রার্থনাসমূহ আপনাদিগকে পরিবেষ্টন করবে।

The Universal House of Justice